আগামী মাসেই এশিয়ান ট্যুর

টানা চতুর্থবারের মতো ঢাকায় হতে যাচ্ছে এশিয়ান ট্যুর টুর্নামেন্ট। গত তিন বছর এশিয়ার শীর্ষ এই টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ। চতুর্থ আসর করতে এগিয়ে এসেছে এবার এবি ব্যাংক। আগামী ৯ থেকে ১২ মে কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবেই হবে তিন লাখ ডলারের এ আসর।

২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো এশিয়ান ট্যুর টুর্নামেন্ট বসুন্ধরা বাংলাদেশ ওপেন হয় ঢাকায়। টানা তিন বছর সফলভাবে এই আসর আয়োজন করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এ বছর টুর্নামেন্টটি কারা করবে—এ নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। এশিয়ান ট্যুরের সূচিতেও আর তা রাখা হয়নি। অবশেষে এবি ব্যাংক এগিয়ে আসায় মে মাসে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের সমন্বয়ক লে. কর্নেল আব্দুল বারি (অব.), ‘এবি ব্যাংক বাংলাদেশ ওপেন নামে হবে এবারের টুর্নামেন্টটি। আমরা লোগো চূড়ান্ত করছি। সেটা হয়ে গেলে এশিয়ান ট্যুরের সূচিতেও তা অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়দের এরই মধ্যে আমন্ত্রণও জানানো হচ্ছে।’ ২০১৫-তে এশিয়ান ট্যুরের প্রথম টুর্নামেন্টটিও হয় মে’তে। ঝড়বৃষ্টিতে সেবার খেলা ব্যাহত হলে পরের দুই বছর নিয়ম করেই ফেব্রুয়ারিতে হয়েছে এ আসর। এ বছর তো সূচিতেই রাখা হয়নি তা। ফেব্রুয়ারিতে এগিয়ে আনা হয়েছিল মালয়েশিয়ার মেব্যাংক চ্যাম্পিয়নশিপ। এখন ট্যুর সূচিতে আগামী মাসে আছে শুধু একটি টুর্নামেন্ট সেটিও কোরিয়ায়। ৯ মে থেকে তাই এবি ব্যাংক বাংলাদেশ ওপেন আয়োজনে বাধা নেই।

দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান নিশ্চিত করেছেন তিনিও খেলছেন এ আসরে, ‘এশিয়ান ট্যুর নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে, এটা যে আমাদের গলফারদের জন্য কত ভালো খবর, তা বোঝাতে পারব না। আমার জন্য ঘরের মাঠে এশিয়ান ট্যুর খেলা বিরাট সুযোগ। আমি মুখিয়ে আছি মে’তে এই টুর্নামেন্টটা খেলার জন্য। এ মাসের ২৪ তারিখ থেকে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ট্যুরের টুর্নামেন্টও হবে। সিদ্দিক খেলবেন এ আসরেও। তাতে এশিয়ান ট্যুরের প্রস্তুতিটাও হয়ে যাবে। বাংলাদেশে আগের তিন আসরের মধ্যে সর্বশেষবারই সিদ্দিকের সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স, রানার্স-আপ হয়েছিলেন। থাই গলফার জ্যাজ জানে ওয়াতানন্দ জিতেছিলেন শিরোপা। তার আগের বছরও শিরোপা গেছে থাইল্যান্ডে। আর প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সিঙ্গাপুরের মার্দান মামাত। সিদ্দিকসহ বাংলাদেশের পেশাদার গলফাররা এবার আরো একবার ঝাঁপাবেন ট্রফিটা নিজেদের কাছেই রেখে দিতে।

Back to top